মিনু গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন 

(PDF উত্তরসহ) মিনু গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন

মিনু গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন: বিচিত্র মানুষের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে আমাদের এ সমাজ। কেউ সর্বাঙ্গ সুস্থ, কেউবা সম্পূর্ণরূপে সুস্থ নয়। ছোট্ট মেয়ে মিনু বোবা ও বধির। তার মা-বাবা নেই। তাই বলে জীবনকে সে তুচ্ছ মনে করে না। দূর-সম্পর্কীয় এক পিসিমার বাড়িতে তাকে থাকতে হয়।

সেখানের গৃহকর্মে তার অখণ্ড মনোযোগ। শুধু তাই নয়, প্রকৃতির সঙ্গেও সে মিতালি পাতিয়েছে। ভোরবেলাকার নবসূর্যকে নিজের জ্বালানো চুল্লির সঙ্গে তুলনা করতেই তার ভালো লাগে । হলদে পাখি দেখে তার মনে পুলক জাগে।

পাশের বাসায় প্রবাসী কোনো এক পিতার আগমন লক্ষ করে সে মনে করে, একদিন তার বাবাও ফিরে আসবে। পিতার জন্য মনে মনে অপেক্ষা করে ছোট্ট এ মেয়েটি। ‘হলদে পাখি আসে কিন্তু তার বাবা আসে না’- এই কষ্ট তার একান্ত নিজস্ব । তবুও সে স্বপ্ন দেখে, একদিন বাবা ফিরে আসবে। এই স্বপ্নই তাকে সংসারের সমস্ত প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে সাহায্য করে।


মিনু গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন

সৃজনশীল ০১: সাত বছরের মেয়েটাকে দুনিয়ায় ফেলে রেখে মা গেল মারা। কষ্ট ঘোচাবে ভেবে নতুন বৌ ঘরে আনে কৃষক। সত্মা অকারণেই গাল দেয় আর হাত তোলে মেয়ের গায়ে। অবসর নেই। সারাদিন কেবল ফরমাস খাটায় সত্মা। মেয়ের পেটে ভাত কেন, এক কণা খুদও পড়েনি সারাদিন। আপন মাকে মনে পড়ে ওর।

ক. বনফুলের প্রকৃত নাম কী?
খ. শুকতারাকে মিনুর সই বলার কারণ কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ. উদ্দীপকের মেয়েটির সঙ্গে ‘মিনু’ গল্পের কার মিল রয়েছে?
ঘ. অমানবিকতার দিক থেকে উদ্দীপকের সত্মা ও ‘মিনু’ গল্পের যোগেন বসাক সমান্তরাল- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

১ নং প্রশ্নের উত্তর

ক. বনফুলের প্রকৃত নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।

খ. শুকতারা মিনুর মতোই খুব ভোরে জেগে ওঠে বলে সে শুকতারাকে সই বলেছে। পিতৃ-মাতৃহীন মিনু দূরসম্পর্কের পিসিমার বাড়িতে থাকে। বাড়ির সমস্ত কাজকর্ম সে একাই করে। তাই প্রতিদিন ভোরে মিনুকে ঘুম থেকে উঠতে হয়। এরপর প্রথম সাক্ষাৎ ঘটে শুকতারার সাথে। সে মনে করে শুকতারাও হয়তো তার মতোই কয়লা ভাঙার কাজের জন্য ঘুম থেকে জেগে উঠেছে। মিনু এ কারণেই শুকতারাকে সই বলেছে।

গ. উদ্দীপকের মেয়েটির সঙ্গে ‘মিনু’ গল্পের মিনুর মিল রয়েছে। একজন শিশুর কাছে বাবা-মা পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। পৃথিবীতে বাবা-মা না থাকলে একজন সন্তান অসহায় হয়ে পড়ে। তারা একা একা জীবনযুদ্ধে লিপ্ত হয়।

উদ্দীপকের মেয়েটির বয়স সাত বছর। তার মা নেই। বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে ঘরে তার সত্তা নিয়ে আসে। সত্মা মেয়েটিকে অকারণে গাল দেয়। গায়ে হাতও তোলে। তার কোনো অবসর নেই। সারা দিন কেবল ফরমাশ খাটে। সারা দিন না খেয়েও থাকে। তার মাকে খুব মনে পড়ে।

উদ্দীপকের মেয়েটির মতো ‘মিনু’ গল্পের মিনুও অসহায়। তার বয়স দশ বছর। তার বাবা-মা নেই। দূরসম্পর্কের পিসির বাড়িতে সে পেটে-ভাতে থাকে। বাড়ির সব কাজ নিজের হাতে করে। তাই বলা যায় যে, অসহায়ত্ব ও অবস্থাগত দিক থেকে উদ্দীপকের মেয়েটির সঙ্গে ‘মিনু’ গল্পের মিনুর মিল রয়েছে।

ঘ. অমানবিকতার দিক থেকে উদ্দীপকের সত্মা ও ‘মিনু’ গল্পের যোগেন বসাক সমান্তরাল- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষের একমাত্র শান্তির আশ্রয় তার পরিবার। কিন্তু অনেক সময় পিতা-মাতার অনুপস্থিতিতে তা অসহনীয় হয়ে ওঠে। প্রতিকূল পরিবেশে তাদের নানা ধরনের কষ্টকর অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়।

উদ্দীপকে মা-মরা মেয়েটি তার সৎমায়ের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়। সৎমা মেয়েটিকে ভালো করে খেতে দেয় না। তার গায়ে হাত তোলে এবং অকারণে গালাগালি করে। ‘মিনু’ গল্পের যোগেন বসাক মিনুকে আশ্রয় দেয়। কিন্তু তার বিনিময়ে বাপ-মা মরা মেয়েটিকে দিয়ে বাড়ির সব কাজ করিয়ে নেয়। এককথায় মিনুকে দিয়ে চাকরানির কাজ করায়। অসহায় মিনুও মুখ বুঝে সব কাজ করে।

উদ্দীপকের সত্মা ও ‘মিনু’ গল্পের যোগেন বসাক উভয়েই অমানবিক ও নিষ্ঠুর। তারা মিনু ও অসহায় মেয়েটির অসহায়ত্বের সুযোগ নেয়। তারা চিন্তা ও চেতনায় এক। তাই বলা যায় যে, মন্তব্যটি যথার্থ।

সৃজনশীল ০২: মিছিলে পা মিলিয়ে সেও চলেছে শহিদ মিনারে ফুল দিতে। সবার সঙ্গে গলা মিলিয়ে গেয়ে চলেছে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি? কিন্তু তার গলা দিয়ে কথা তো ফোটে না, শুধু শব্দ হয় আঁ আঁ আঁ আঁ। আসলে কথা ফুটবে কী করে? লখা যে জন্মবোবা। বাংলা বুলি তার মুখে ফুটতে পায় না।

ক. মিনু কিসের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে?
খ. ‘মহৎ হয়ে সুবিধাই হয়েছে যোগেন বসাকের ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের লখা এবং ‘মিনু’ গল্পের মিনুর সাদৃশ্য আলোচনা কর।
ঘ. “উদ্দীপকের লখা ‘মিনু’ গল্পের মিনুর কথা স্মরণ করিয়ে দিলেও গল্পের সামগ্রিক দিক উদ্দীপকে অনুপস্থিত।”— বিশ্লেষণ কর।

২নং প্রশ্নের উত্তর

ক. মিনু প্রকৃতির সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে।

খ. মহৎ হয়ে সুবিধাই হয়েছে যোগেন বসাকের’- উক্তিটি দ্বারা সুবিধাভোগী যোগেন বসাকের মুখোশ উন্মোচন করা হয়েছে।

যোগেন বসাক মিনুর পিসেমশাই। মিনু মাকে হারানোর পর এ বাড়িতে চলে আসে। লোকে মনে করে যোগেন বসাক মিনুকে আশ্রয় দিয়ে মহৎ কাজ করেছে। কিন্তু সুবিধাভোগী যোগেন বসাক মহৎ উদ্দেশ্যে মিনুকে আশ্রয় দেয়নি। সারাদিন খাটানোর জন্যই মূলত আশ্রয় দিয়েছে। আলোচ্য উক্তিটি এটাই প্রকাশ করে।

গ. কথা বলতে না পারার দিক থেকে উদ্দীপকের লখা এবং ‘মিনু’ গল্পের মিনুর সাদৃশ্য রয়েছে।

এই পৃথিবীতে বিচিত্র রকমের মানুষ বসবাস করে। কেউ সুস্থ, কেউবা পুরো সুস্থ নয়। যারা কথা বলতে পারে না তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া আমাদের কর্তব্য।

উদ্দীপকে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোর লখার কথা বলা হয়েছে। প্রভাতফেরির মিছিলে সেও মানুষের সঙ্গে পা মিলিয়ে শহিদ মিনারে ফুল দিতে যায়। কিন্তু সবার সঙ্গে গলা মিলিয়ে সে গান গাইতে পারে না। লখা কথা বলবে কী করে, সে যে জন্ম থেকেই বোবা। ‘মিনু’ গল্পের ছোট্ট মেয়ে মিনুও বাকপ্রতিবন্ধী। বাবা-মা হারা মেয়ে মিনু কথা বলতে পারে না। দূরসম্পর্কের এক পিসিমার বাড়িতে অনেক কষ্ট করে তাকে থাকতে হয়। কথা না বলতে পারার কষ্ট মিনু প্রকৃতির সঙ্গে ভাগ করে নেয়।

তাই বলা যায়, উদ্দীপকের লখা এবং আলোচ্য গল্পের মিনু উভয়ই বাকপ্রতিবন্ধী। আর এ দিক থেকেই উভয়ের মধ্যে সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়েছে।

ঘ. “উদ্দীপকের লখা ‘মিনু’ গল্পের মিনুর কথা স্মরণ করিয়ে দিলেও গল্পের সামগ্রিক দিক উদ্দীপকে অনুপস্থিত।”- মন্তব্যটি যথার্থ।

আমাদের সমাজে শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোরদের দুঃখ- কষ্টের সীমা-পরিসীমা থাকে না। প্রত্যেক মানুষের উচিত তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া। ‘মিনু’ গল্পের মিনু বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী। বাবা-মা না থাকায় তার জীবনে নেমে আসে দুর্বিষহ কষ্ট। দূরসম্পর্কের পিসিমার বাড়িতে কষ্ট করে থাকলেও মিনু নিজের জীবনকে তুচ্ছ মনে করে না। কথা না বলতে পারার কষ্ট সে প্রকৃতির সঙ্গে মিতালি পাতিয়ে দূর করতে চেয়েছে। উদ্দীপকেও বাকপ্রতিবন্ধী কিশোর লখার কথা বলা হয়েছে। লখা কথা বলতে না পারলেও সবার সঙ্গে পা মিলিয়ে শহিদ মিনারে ফুল দিতে যায়।

উদ্দীপকে ‘মিনু’ গল্পের সঙ্গে মিল রেখে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোর লখার অস্ফুট আর্তনাদের কথা বলা হয়েছে। জন্ম থেকে বোবা লখার মুখে কথা ফোটে না। ‘মিনু’ গল্পের মিনুও কথা বলতে পারে না। কিন্তু এই বিষয়টি ছাড়াও আলোচ্য গল্পে বাবা-মা হারা মিনুর কষ্ট, প্রকৃতির সঙ্গে তার একাত্মতা এবং পিতার জন্য অপেক্ষায় থাকা তার মনঃকষ্টের বর্ণনা রয়েছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের লখা ‘মিনু’ গল্পের মিনুর কথা স্মরণ করিয়ে দিলেও গল্পের সামগ্রিক দিক উদ্দীপকে অনুপস্থিত রয়েছে। সুতরাং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

নিজে করো,

সৃজনশীল ০৩: কিশোরী সুভার প্রতি লেখকের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা ও মমত্ববোধে গল্পটি অমর হয়ে আছে। সুভা কথা বলতে পারে না। মা মনে করেন, এ-তার নিয়তির দোষ, কিন্তু বাবা তাকে ভালোবাসেন। আর কেউ তার সঙ্গে মেশে না খেলে না। কিন্তু তার -বিশাল একটি আশ্রয়ের জগৎ আছে। যারা কথা বলতে পারে না সেই পোষা প্রাণীদের কাছে সে মুখর। তাদের সে খুবই কাছের জন। আর বিপুল নির্বাক প্রকৃতির কাছে সে পায় মুক্তির আনন্দ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মূলত প্রতিবন্ধী মানুষের আশ্রয়ের জন্য একটি জগৎ তৈরি করেছেন এবং সেই সঙ্গে তাদের প্রতি আমাদের মমত্ববোধের উন্মেষ ঘটাতে চেয়েছেন।

ক. আগুনের লাল আভাকে মিনুর কী মনে হয়?
খ. কেন মিনুর সব কথা শোনার দরকার হয় না? ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের সুডার সঙ্গে ‘মিনু’ গল্পের কার মিল খুঁজে পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. “উদ্দীপকের ভাবার্থে ‘মিনু’ গল্পের উদ্দেশ্য ও স্থূলভাব প্রকাশ পেয়েছে।”— মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

সৃজনশীল ০৪: জন্মগতভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী ফজলুর রহমান। দুটি হাত ও একটি পা নেই। এক পা দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে চলাফেরা করতে হয়। তবুও থেমে নেই ফজলুর। প্রবল ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে প্রতিবন্ধকতাকে হার মানিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। পা দিয়ে লিখে পিএসসিতে ২.১৭ ও জেএসসিতে ৩.৭৫ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। বর্তমানে সিরাজগঞ্জের বেলকুচির মিটুয়ানী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ছে। ফজলুরের বাবা সাহেব আলী দিনমজুর। বাড়ি বেলকুচি উপজেলার গোপালপুর গ্রামে। প্রতিদিন তিন কিলোমিটার দূরে স্কুলে এক পা দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে যাতায়াত করতে হয় ফজলুরকে।

ক. মিনুর হাতুড়ির নাম কী?
খ. শুকতারাকে মিনু সই মনে করে কেন?
গ. উদ্দীপকের ফজলুর এবং ‘মিনু’ গল্পের মিনুর অমিল কোথায়?
ঘ. “উদ্দীপক ও ‘মিনু’ গল্পের মধ্যে অমিল থাকলেও গল্পের উদ্দেশ্য ও মূলভাব এক।”— মন্তব্যটি যাচাই কর।

সৃজনশীল ০৫: সারার বাবা-মা দুজনেই চাকরিজীবী। প্রায়ই সারাকে বাড়িতে একা থাকতে হয়। তাই বন্ধুহীন সারা জানালার পাশে জারুল গাছ, গাছে উড়ে আসা পাখির সাথে নিজের মনের গহিনে লুকিয়ে থাকা কথাগুলো ব্যক্ত করে। মাঝে মাঝে আকাশে তাকিয়ে থাকতে থাকতে সে স্বপ্ন দেখে পাখি হয়ে আকাশ পথে বিশ্বভ্রমণ করার।

ক. শুকতারাটা কেমন করে জ্বলে?
খ. কয়লা মিনুর শত্রু ছিল কেন?
গ. উদ্দীপকের সারা ‘মিনু’ গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিচ্ছবি? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. ‘প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও মিনু ও সারা দুজনেরই আশ্রয় প্রকৃতি’— উক্তিটি উদ্দীপক ও গল্পের আলোকে মূল্যায়ন কর।

সৃজনশীল ০৬:. ষোলো বছরের কিশোরী নাজিন মুস্তফা। একটি হুইল চেয়ারে চড়ে সে রওনা দিয়েছে সিরিয়া থেকে, গন্তব্য জার্মানি। সেখানে রয়েছে তার ভাই। দারুণ স্বপ্নবাজ এই কিশোরী। সে মহাকাশচারী হতে চায়। বিশ্বব্রহ্মাণ্ড দেখতে চায়। এলিয়েন খুঁজে বের করতে চায়। আর চায় রানির সাথে দেখা করতে।

ক. মিনু কখন ঘুম থেকে ওঠে?
খ. “বাবা ফিরে আসবে।”— মিনু এ ধারণা করে কেন?
গ. উদ্দীপকের নাজিন মুস্তফার সাথে ‘মিনু’ গল্পের মিনুর সাদৃশ্য তুলে ধর।
ঘ. “জীবন পরিক্রমায় মিনু ও নাজিন মুস্তফা ভিন্ন।” মন্তব্যটির সত্যতা যাচাই কর।

সৃজনশীল উত্তর


আশাকরি আমাদের আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। শিক্ষা, পাঠ্যপুস্তক, গল্পের বই সহ যে কোন পিডিএফ ডাউনলোড করতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভালো থাকবেন সবাই, ধন্যবাদ। এছাড়াও আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে ফেসবুকে কানক্ট থাকতে পারেন।