বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা PDF

বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা PDF

বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা PDF: বিদ্রোহী কাজী নজরুলের বিখ্যাত কবিতাসমূহের একটি। কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি বিজলী পত্রিকায়। এরপর কবিতাটি মাসিক প্রবাসী (মাঘ ১৩২৮), মাসিক সাধনা (বৈশাখ ১৩২৯) ও ধূমকেতুতে (২২ আগস্ট ১৯২২) ছাপা হয়।

আজকের আর্টিকেলে বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা PDF শেয়ার করা হবে। কথা না বাড়িয়ে তাহলে চলুন শুরু করি।


বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা PDF

কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি পূর্বের তুলনায় অনেক গুন বেশি সকলের প্রিয় হয়ে ওঠেন। বিদ্রোহী কবিতাটি শোষিত, বঞ্চিত মজলমের মনে উৎসাহ, উদ্দীপনা জাগায়। বিদ্রোহী কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পূর্বে এরকম আর কোনে প্রতিবাদমূখর কবিতা প্রকাশিত হয় নি।

কবিতাটির মাধ্যমে কবি তৎকালীন শাসকের বিরুদ্ধে তার অবস্থান তুলে ধরেছেন এবং ভারতবর্ষের মানুষদের ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সচেতন করে তুলেছেন। এই কবিতায় তিনি নিজেকে বিভিন্ন উপমার মাধ্যমে, পৌরাণিক বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে প্রত্যেক আমিত্বকে বীর বা সাহসী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তিনি এই কবিতায় বার বার ‘আমি’ শব্দটি ব্যবহার করে প্রত্যেকের মধ্যে যে আমিত্বের শক্তি রয়েছে তা বের করার চেষ্টা করেছেন। এই কবিতাটি প্রকাশিত হলে তৎকালীন ইংরেজ শাসকের টনক নড়ে চড়ে বসে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ একজন এত প্রতিবাদী হয়ে উঠতে পারে তা তারা কল্পনাও করতে পারে নি।

কবি ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় যে বিদ্রোেহ উপস্থিত করেছেন এবং ‘আমি’ বলে যে শক্তিকে মূর্ত করে তুলেছেন তার প্রকৃতি সম্বন্ধে বিরোধী ব্যাখ্যাই কবিতাটি সম্পর্কে এই মিশ্র প্রতিক্রিয়ার কারণ। সুতরাং প্রথমেই কবি ‘আমি’ বলতে কী বলতে চেয়েছেন তা বোঝবার চেষ্টা করা দরকার।

‘আমি’ বলতে প্রাথমিকভাবে কবি নিশ্চয়ই তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয়ই তুলে ধরতে চাইছেন, কিন্তু এই পরিচয়কে কবির প্রাত্যহিক জীবনের ধূলি-মলিন পরিচয় ভাবলে অবিচার করা হবে। প্রত্যেক আত্মসচেতন ব্যক্তির মধ্যে থকে দুটি সত্তা—একটি তার প্রতিদিনের পরিচয় বহন করে, আর একটি তার বিরাটত্বের পরিচয়বাহী। প্রাত্যহিক সত্তার থাকে অহংকার, বৃহত্তম সত্তার থাকে অহংবোধ।

রবীন্দ্রনাথ এই দুটি সত্তাকেই বোঝাতেই চেয়েছেন ‘ক্ষুদ্র-আমি’ ও ‘বিরাট আমি’ বলে। দর্শনের ভাষায় বলা যায় এই ‘বিরাট-আমি’ মানুষের এক ধরনের ‘ego’ বা আত্মব্যক্তিত্ব। এই অহংবোধ মানুষের মধ্যে অকস্মাৎ জাগ্রত হয়ে তাকে এক বিরাট মানসিক শক্তি দান করে। রবীন্দ্রনাথ নিজেও একদিন এই শক্তিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে ‘প্রভাত সংগীতের’ কবিতাগুলি রচনা করেন। নজরুল ইসলাম মনের মধ্যে সেই শক্তির প্রেরণাতেই উদ্বুদ্ধ হয়েছেন এবং নিজের সেই বৃহত্তর সত্তাকে প্রকাশ করেছেন ‘আমি’ হিসাবে।

DOWNLOAD PDF


আশাকরি আমাদের আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সকল শ্রেণির প্রশ্নোত্তর ও সাজেশন পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভালো থাকবেন সবাই, ধন্যবাদ। এছাড়াও আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে ফেসবুকে কানেক্ট থাকতে পারেন।